ঢাকা      শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২
শিরোনাম

কেমন হতে পারে তারেক রহমানের মন্ত্রিসভা

IMG
13 February 2026, 4:55 PM

আশরাফুল কবির আসিফ, বাংলাদেশ গ্লোবাল: দীর্ঘ ১৯ বছর পর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ফিরছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। গতকাল বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করতে নির্বাচন কমিশনের হয়তো আগামীকাল শনিবার বা রোববার লেগে যাবে। পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। তাই আগামী সোমবার অথবা মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

একক দল হিসেবে দুই শতাধিক আসনে জয়লাভ করায় নতুন মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে বেশ মধুর বিড়ম্বনায় পড়বেন তারেক রহমান। ২০০১ সালের নির্বাচনের পর প্রায় একই রকম পরিস্থিতিতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ৬০ সদস্যের মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেছিলেন। ধরে নিচ্ছি, এবারও বিএনপির মন্ত্রিসভায় ৫০ থেকে ৬০ জন সদস্য থাকবেন। সেক্ষেত্রে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হওয়ার সুযোগ পাবেন পাঁচ থেকে ছয়জন।

টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হওয়ার পথে বিএনপির কয়েকজন নেতা আলোচনায় থাকবেন। তাঁরা হলেন দলের নির্বাচন পরিচালনার কাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা নজরুল ইসলাম খান, ইসমাইল জবিউল্লাহ এবং রুহুল কবির রিজভী। এছাড়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, বিএনপি নেতা আবদুস সালাম, হাবিব উন নবী খান সোহেল এবং হুমায়ুন কবিরকে নতুন সরকারে দেখা যেতে পারে।

নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মধ্যে প্রথমেই নাম আসবে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মধ্যে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ এবং ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন মন্ত্রিসভায় থাকবেন বলে বিএনপি নেতা-কর্মীরা বিশ্বাস করেন।

এর বাইরে মন্ত্রিপরিষদে জায়গা পেতে পারেন পঞ্চগড়ের ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, লালমনিরহাটের আসাদুল হাবিব দুলু, রাজশাহীর মিজানুর রহমান মিনু, নাটোরের রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, পাবনার এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব ও শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ঢাকার আমান উল্লাহ আমান, ইশরাক হোসেন ও হাবিবুর রশিদ হাবিব, টাঙ্গাইলের আব্দুস সালাম পিন্টু ও আহমেদ আযম খান, মৌলভীবাজারের এম. নাসের রহমান, সিলেটের খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, তাহসিনা রুশদীর লুনা ও আরিফুল হক চৌধুরী, সুনামগঞ্জের মোহাম্মদ কয়ছর, হবিগঞ্জের জি কে গউছ ও ড. রেজা কিবরিয়া, খুলনার আলি আসগার লবী ও রকিবুল ইসলাম বকুল, যশোরের অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ঝিনাইদহের অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান, কুষ্টিয়ার রেজা আহমেদ (বাচ্চু মোল্লা), বাগেরহাটের ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, মাগুরার নিতাই রায় চৌধুরী, কুমিল্লার শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ ও জাকারিয়া তাহের সুমন, নরসিংদীর খায়রুল কবির খোকন, ফরিদপুরের শামা ওবায়েদ ইসলাম, শরীয়তপুরের মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, রাজবাড়ীর আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, মুন্সীগঞ্জের আব্দুস সালাম আজাদ, কিশোরগঞ্জের ড. ওসমান ফারুক ও ফজলুর রহমান, চট্টগ্রামের মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হুম্মাম কাদের চৌধুরী ও জসিম উদ্দিন আহমেদ, ভোলার হাফিজ ইব্রাহিম, বরিশালের মজিবর রহমান সরওয়ার, জয়নুল আবেদীন ও জহির উদ্দিন স্বপন, পিরোজপুরের আহম্মদ সোহেল মনজুর, পটুয়াখালীর আলতাফ হোসেন চৌধুরী, ফেনীর আবদুল আউয়াল মিন্টু, লক্ষ্মীপুরের শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, নেত্রকোনার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ময়মনসিংহের ডা. মাহবুবুর রহমান, শেরপুরের ফাহিম চৌধুরী, জামালপুরের ফরিদুল কবির তালুকদার ও রশিদুজ্জামান মিল্লাত, মানিকগঞ্জের আফরোজা খানম রিতা, চাঁদপুরের আ ন ম এহছানুল হক মিলন, নোয়াখালীর ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, জয়নুল আবদিন ফারুক, বরকত উল্যাহ বুলু ও মো. শাহজাহান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, রাঙামাটির দীপেন দেওয়ান এবং বান্দরবানের সাচিং প্রু জেরী।

এছাড়া জোট শরিক হিসেবে ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ, নুরুল হক নুর, জোনায়েদ সাকী বা ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করা ববি হাজ্জাজের যেকোনো দু'জনকে মন্ত্রিসভায় আমন্ত্রণ জানাতে পারেন তারেক রহমান। এর মধ্যে জয়নুল আবদিন ফারুককে চিফ হুইপ ও সাত-আটজনকে হুইপ করা যেতে পারে। বয়স বিবেচনায় আমি মুশফিকুর রহমান ও নাছির চৌধুরীকে মন্ত্রিসভার বাহিরে অন্য কোনো দায়িত্ব দেওয়ার পক্ষে।

ব্রেকিং নিউজ, এই মুহূর্তের খবর, প্রতিদিনের সর্বশেষ খবর, লেটেস্ট নিউজ এবং গুরুত্বপূর্ণ আপডেট নিউজ পেতে ভিজিট করুন www.bangladeshglobal.com

সর্বশেষ খবর

আরো পড়ুন