ঢাকা, বাংলাদেশ গ্লোবাল: শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে বুধবার সকালে সচিবালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। সাক্ষাৎকালে দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বাংলাদেশের শ্রম খাতের উন্নয়নে অব্যাহত সহযোগিতার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান শ্রমমন্ত্রী। বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, শ্রম খাতের উন্নয়ন ও শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিতকরণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ করার অনেক সুযোগ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম সম্পর্কিত ১১ দফার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশের শ্রম আইন (সংশোধন), ২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সাক্ষাৎকালে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত শ্রম আইন সংশোধনের জন্য বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ১১ দফা ও আইএলও’র কনভেনশনসমূহ শ্রম আইন (সংশোধন), ২০২৬-এ অন্তর্ভুক্ত করায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত বাণিজ্য ও অন্যান্য চুক্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে এই আইনের বাস্তবিক প্রয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি প্রয়োজনীয় বিধিমালা জারি করে দ্রুত এই আইন কার্যকর করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। জবাবে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী বিধিমালা জারি করে দ্রুত আইনটি কার্যকর করার আশ্বাস দেন।
একই সঙ্গে শ্রম অধিকার এবং নিরাপদ ও শোভন কর্মপরিবেশ সম্পর্কে শ্রমিকদের সচেতন করতে যুক্তরাষ্ট্রকে কারিগরি সহায়তা প্রদানের অনুরোধ জানান আরিফুল হক চৌধুরী। মার্কিন রাষ্ট্রদূত ট্রেড ইউনিয়ন রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সহজীকরণ ও আধুনিকায়ন করা এবং শ্রমিকদের বেতন প্রতি তিন বছরে সমন্বয় করার উদ্যোগ নেওয়ায় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানান। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব আবদুর রহমান তরফদার, যুগ্ম সচিব আবদুছ সামাদ আল আজাদ, মার্কিন দূতাবাসের কাউন্সিলর এরিক গিলান ও শ্রম অ্যাটাশে লীনা খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
ব্রেকিং নিউজ, এই মুহূর্তের খবর, প্রতিদিনের সর্বশেষ খবর, লেটেস্ট নিউজ এবং গুরুত্বপূর্ণ আপডেট নিউজ পেতে ভিজিট করুন www.bangladeshglobal.com