ঢাকা      মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ৭ আশ্বিন ১৪২৭
IMG-LOGO
শিরোনাম

অনলাইনে ফাঁদ পেতে নারীদের ধর্ষণ করতো মনির

IMG
14 September 2020, 9:55 AM

সাভার, বাংলাদেশ গ্লোবাল: রাজধানীর দারুস সালাম এলাকা থেকে ‘সিরিয়াল ধর্ষণে’র অভিযোগে গ্রেফতার সৈয়দ মনির হোসাইন ওরফে মশিউরের বিরুদ্ধে ধর্ষণের প্রমাণ পেয়েছে র‍্যাব। মশিউর কমপক্ষে ৭ নারীকে অনলাইনে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে ধর্ষন করেছে। মনির পেশায় স্যানিটারি মেকানিক।

র‍্যাব ৪ জানিয়েছে, ধর্ষণের আগে এসব নারীর সঙ্গে অনলাইনে ভুয়া পরিচয় দিয়ে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলতেন মনির। আর সে ঘনিষ্ঠতার সূত্র ধরে নানাভাবে প্রতারণার মাধ্যমে ছবি, ভিডিও সংগ্রহ করতেন। পরে সে সব ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে ধর্ষণ করতেন মনির।

র‍্যাব জানায়, এতেও শেষ হতো না মনিরের যৌন নিপীড়ন-অধ্যায়। ধর্ষণের সময় সে চিত্র গোপনে ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করে দেয়ার হুমকি দিয়ে নারীদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা দাবি করতেন মনির। নানা হুমকি আর হয়রানির মুখে ওই নারীরা মনিরকে বিভিন্ন অংকের টাকা দিতে বাধ্য হতেন।

এভাবেই এক নারীকে ধর্ষণের ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করেন মনির। অন্যান্য বারের মতো এবারও বড় অফিসার পরিচয় দিয়ে ওই নারীর সঙ্গে ইমোতে সম্পর্ক গড়ে তুলেন মনির। এক পর্যায়ে চেষ্টা করেন সে নারীকেও ধর্ষণে বাধ্য করতে। মনিরের মাধ্যমে প্রতারণার শিকার ওই নারীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার রাতে বিশেষ অভিযানে নামে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়নের (র‍্যাব-৪) এর একটি দল। গভীর রাতে মিরপুর দারুস সালাম এলাকায় বাংলা কলেজের সামনে থেকে মনিরকে গ্রেফতার করা হয় তাকে।

র‍্যাব জানায়, গত ৮ মাস ধরে ইমো, হোয়াটসঅ্যাপসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নারীদের ফুসলিয়ে আপত্তিকর ছবি সংগ্রহ করতেন মনির। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের মনির স্বীকার করেন, দেশের বিভিন্ন জেলার স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতেন তিনি। এক পর্যায়ে তাদের একান্ত ও আপত্তিকর ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেখিয়ে ধর্ষণ করে আসছিলেন। পরে আপত্তিকর ছবি ডিলিট করার জন্য টাকা দাবি করার কথাও স্বীকার করেন মনির। পেশায় স্যানিটারি মেকানিক হলেও নারীদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে নিজেকে বড় অফিসার হিসেবে পরিচয় দিতেন মনির।
এ বিষয়ে Rab 4 এর সহকারী পুলিশ সুপার জিয়াউর রহমান চৌধুরী বলেন আটক ধর্ষণকারীর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়ের করে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সাম্প্রতিক খবর জানতে লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা সাবস্ক্রাইব করুন YouTube

সর্বশেষ খবর

আরো পড়ুন