ঢাকা      বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৩ আশ্বিন ১৪২৯
IMG-LOGO
শিরোনাম

আমরা সব উপজেলা ও গ্রামে ছড়িয়ে পড়বো: মির্জা ফখরুল

IMG
11 August 2022, 11:58 PM

ঢাকা, বাংলাদেশ গ্লোবাল: আগামী ২২ আগস্ট থেকে সারাদেশে উপজেলা-জেলা-মহানগর পর্যায়ে অব্যাহতভাবে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, 'রোববার জেলা পর্যায়ে সমাবেশ আছে। এরপর আগামী ২২ তারিখ থেকে সব উপজেলা ও গ্রাম পর্যায়ে আমরা ছড়িয়ে পড়বো। একইভাবে প্রত্যেকটি উপজেলা, জেলা ও মহানগরে বিক্ষোভ সমাবেশ এবং জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা এই সরকারকে অবশ্যই পদত্যাগ করে একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে বাধ্য করবো।'

আজ বৃহস্পতিবার বিকালে নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সমাবেশে ইরান থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ড্রোন আমদানি প্রসঙ্গ টেনে বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন। জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধিসহ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে এই সমাবেশে হয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, 'এই সংগ্রাম শুরু হয়েছে, লড়াই শুরু হয়েছে, যুদ্ধ শুরু হয়েছে, এই লড়াই আমাদের প্রাণের লড়াই, আমাদের বেঁচে থাকার লড়াই, এই লড়াই বাংলাদেশকে রক্ষা করার লড়াই। এটা বিএনপির নয়, আমাদের নয়, এই লড়াই বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষকে বাঁচাবার লড়াই।'

তিনি বলেন, 'এই লড়াইয়ে অবশ্যই আমাদের শরিক হতে হবে, রাজপথ আমাদের দখল করতে হবে। রাজপথের লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে আমরা অবশ্যই এই সরকারকে সরিয়ে সত্যিকার অর্থে একটা জনগণের সরকার, জনগণের রাষ্ট্র, জনগণের সমাজ তৈরি করবো।'

দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে মনিটর করার জন্য সরকার বিদেশ থেকে ড্রোন নিয়ে এসেছে বলে অভিযোগ করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, 'কয়েকদিন আগে একটা খবর আমার চোখে পড়েছে যে, সরকার বিশেষ করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইরান থেকে ২১টা ড্রোন আমদানি করেছে এবং তারা বলেছে যে, এই ড্রোন ভাসানচরে পরীক্ষা করে দেখবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রূ নিজে গিয়েছিলেন, দেখেছেন যে ড্রোন কীভাবে চলে?'

মির্জা ফখরুল বলেন, 'এই ড্রোন কী করবেন? ভাসানচরের রোহিঙ্গাদের তারা (সরকার) মনিটর করবে। আসলে তারা এগুলো নিয়ে এসেছে এদেশের মানুষদের মনিটর করার জন্য, এই ড্রোন নিয়ে এসেছে যারা গণতন্ত্র চায় তাদেরকে মনিটর করার জন্যে।'

মির্জা ফখরুল বলেন, 'ড্রোনের নাম শুনলে আমরা খু্ব ভয় পাই। কেনো ভয় পাই? যে আমরা দেখছি ড্রোন দিয়ে কিভাবে অন্য দেশে গিয়ে বিভিন্ন নেতাদের হত্যা করা হয়েছে। আমরা দেখেছি যে, এই ড্রোন দিয়ে কিভাবে যারা গণতন্ত্র চায়, গণতন্ত্রের জন্য যারা লড়াই করছে, সংগ্রাম করেছে তাদের হত্যা করা হয়েছে।'

সমাবেশে আসার পথে পথে বিএনপি নেতা-কর্মীদের বাধা প্রদান ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ উত্তরা থেকে নেতা-কর্মীদের পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে বলে অভিযোগ করেন বিএনপি মহাসচিব। তাদের মুক্তির দাবি জানান তিনি।

নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পাঁচটি ট্রাককে একত্রিত করে উন্মুক্ত মঞ্চ নির্মাণ করা হয়। দুপুর ২টায় শুরু হয়ে সমাবেশ শেষ হয় সন্ধ্যা ৬টার পর। ফকিরাপুল মোড় থেকে কাকারাইল পর্যন্ত রাস্তা ও ফুটপাত ছিল বিএনপির নেতা-কর্মীদের দিয়ে পূর্ণ। এ কারণে আজ পল্টন ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক যানজট তৈরি হয়।

সবশেষ খবর এবং আপডেট জানার জন্য চোখ রাখুন বাংলাদেশ গ্লোবাল ডট কম-এ। ব্রেকিং নিউজ এবং দিনের আলোচিত সংবাদ জানতে লগ ইন করুন: www.bangladeshglobal.com

সর্বশেষ খবর

আরো পড়ুন