ঢাকা      রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪, ৮ আষাঢ় ১৪৩১
শিরোনাম

দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ৪ রানে হারলো বাংলাদেশ

IMG
11 June 2024, 5:47 AM

স্পোর্টস ডেস্ক, বাংলাদেশ গ্লোবাল: শেষ ওভারে নাটকীয় পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে হারালো দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রোটিয়াদের হারানোর একদম কাছাকাছি এসেও পারলো না টাইগাররা। বলা যায়, ‘এক ইঞ্চি’র ব্যবধানে হারতে হলো তাদের। ৪ রানে হারতে হল সাকিব আল হাসানদের। শেষ ওভারে ১১ রান তুলতে পারেনে বাংলাদেশ।

২০তম ওভারের পঞ্চম বলটা সহজে ভুলতে পারবেন না মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। কেশব মহারাজের ফুল টস বল সপাটে মেরেছিলেন তিনি। কিন্তু ব্যাটে-বলে সংযোগ ঠিক মতো হয়নি। তবু নিউইয়র্কের বড় মাঠ প্রায় পেরিয়ে গিয়েছিল সেটি। লং অন বাউন্ডারির একদম ধার থেকে দু’হাত বাড়িয়ে ছোঁ মেরে সেই বল ধরে নেন এইডেন মার্করাম। সেখানেই শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের জয়ের স্বপ্ন। বাউন্ডারির দড়ি থেকে এক ইঞ্চি দূরে ছিল মার্করামের পা।

সোমবার টসে জিতে ব্যাটিং নিয়ে বিপর্যয়ের মুখে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। ভালো বল করলেন তানজিম হাসান। দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিং বিভাগ একাই ধসিয়ে দিলেন তিনি। প্রথম ওভারেই ফেরালেন রিজ়া হেনড্রিক্সকে। তৃতীয় ওভারে ফিরলেন কুইন্টন ডি’কক। একে একে ফিরলেন এইডেন মার্করাম (৪) এবং ট্রিস্টান স্টাবসও (০)।

এরপর দক্ষিণ আফ্রিকার ত্রাতা হলেন হেনরিখ ক্লাসেন এবং ডেভিড মিলার। চাপের মুখে মাথা ঠান্ডা রেখে ব্যাট করলেন তারা। আইপিএলে ঝোড়ো ব্যাটিং করা ক্লাসেনও অদ্ভুত রকমের শান্ত ব্যাটিং করলেন। ঝুঁকি নিতে দেখাই গেলো না তাঁকে। উল্টো দিকে থাকা মিলারও তাই। চাপের মুখে জুটি বেঁধে ধস সামলালেন তাঁরা।

তাসকিন আহমেদের বলে ক্লাসেন ফিরলেন ১৮তম ওভারে। ৪৪ বলে ৪৬ রান করেন তিনি। পরের ওভারেই দক্ষিণ আফ্রিকা হারায় মিলারকেও (৩৮ বলে ২৯)। শেষ দিকে মার্কো জানসেন এবং কেশব মহারাজও রানের গতি বাড়াতে পারেননি। ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১১৩ রান তোলে দক্ষিণ আফ্রিকা।

বাংলাদেশেরও শুরুটা ভালো হয়নি। জানসেন প্রথম ওভারে ১ রান দেওয়ার পর দ্বিতীয় ওভারের শুরুতেই কাগিসো রাবাডাকে পর পর দু’টি চার মারেন তানজিদ হাসান। সেই ওভারেই রাবাডার বলে আউট হন তিনি। এরপর বাংলাদেশের ব্যাটারদের সাজঘরে আসা-যাওয়ার পালা চলতে থাকে। নাজমুল হোসেন শান্ত (১৪), লিটন দাস (৯), সাকিব আল হাসান (৩) পর পর ফিরে যান।

সেখান থেকে জুটি গড়েন তৌহিদ হৃদয় এবং মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। দু’জনে মিলে পঞ্চম উইকেটে ৪৪ রানের জুটি গড়েন। কিন্তু দুই ব্যাটারকেই ধীরে ধীরে খেলতে হয়েছে। ফলে একটা সময় আস্কিং রেট বাড়তে থাকে। ১৮তম ওভারের প্রথম বলে হৃদয় ফেরার পর চাপ আরও বাড়ে বাংলাদেশের।

তখনও উইকেটে ছিলেন মাহমুদউল্লাহ। আশা বেঁচে ছিল বাংলাদেশের। আস্কিং রেট তখনও ধরাছোঁয়ার মধ্যে ছিল। মার্করাম তিন পেসারেরই ওভার আগে শেষ করে দিলেন। ফলে শেষ ওভার করতে এগিয়ে আসতে হলো মহারাজকে। এই পরিস্থিতিতে স্পিনারের বোলিং খেলা তুলনায় সহজ। ১১ রান দরকার ছিল জেতার জন্য।

কিন্তু মাহমুদউল্লাহ সে ভাবে ব্যাট করার সুযোগই পেলেন না। শেষ ওভারের দ্বিতীয় বলে এক রান নেন। তার পর পঞ্চম বলে আউট। আরও দু’টি বল খেলার সুযোগ পেলে হয়তো ম্যাচ শেষ করে আসতে পারতেন। তা হলো না।

সবশেষ খবর এবং আপডেট জানার জন্য চোখ রাখুন বাংলাদেশ গ্লোবাল ডট কম-এ। ব্রেকিং নিউজ এবং দিনের আলোচিত সংবাদ জানতে লগ ইন করুন: www.bangladeshglobal.com

সর্বশেষ খবর

আরো পড়ুন