ঢাকা      বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ১০ শ্রাবণ ১৪৩১
শিরোনাম

সরকার বিদ্যুতের উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানোর কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে : নসরুল হামিদ

IMG
20 June 2024, 6:56 PM

ঢাকা, বাংলাদেশ গ্লোবাল: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানিয়েছেন, চাহিদার কথা বিবেচনায় রেখে সরকার বিদ্যুতের উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানোর কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

তিনি জানান, ‘চাহিদার কথা বিবেচনায় রেখে আমরা বিদ্যুতের উৎপাদন ক্ষমতা ২০৩০ সালে ৩৯ হাজার ৩২৪ মেগাওয়াট এবং ২০৪১ সালের মধ্যে ৭৪ হাজার ২৫৩ মেগাওয়াটে উন্নীত করার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি।’

আজ সংসদে স্বতন্ত্র সদস্য মো. সোহরাব উদ্দিনের টেবিলে উপস্থাপিত তারকা চিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী জানান, বিগত ১৫ বছরে বিদ্যুৎ খাতে অভাবনীয় উন্নতি সাধিত হয়েছে। সরকার ২০০৯ সালে দায়িত্ব গ্রহণের পর বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে তাৎক্ষণিক, স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করে নিবিড় তদারকির মাধ্যমে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।

তিনি জানান, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত ২৫ হাজার ৭৯৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে। ফলে বিদ্যুতের স্থাপিত ক্ষমতা ক্যাপটিভ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ ৩০ হাজার ৭৩৮ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে। এ যাবত গত ৩০ এপ্রিল সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে ১৬ হাজার ৪৭৭ মেগাওয়াট। দেশে চাহিদার চেয়েও স্থাপিত বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বেশি। তবে কোভিড-১৯ মহামারি পরবর্তীতে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ ও বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে পরিপূর্ণ সক্ষমতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে না। এরফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও কিছু কিছু স্থানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে সাময়িক অসুবিধা হচ্ছে।

এছাড়া অত্যাধিক গরম ও দেশের কোথাও কোথাও তাপদাহের কারণে বিদ্যুতের চাহিদা ব্যাপক বৃদ্ধি পাওয়ায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে।

স্বতন্ত্র সদস্য মোহাম্মদ হুছামুদ্দীন চৌধুরীর এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশ জুড়ে তীব্র তাপদাহের কারণে বিদ্যুৎ ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় গ্রামাঞ্চলে কিছু কিছু এলাকায় চাহিদার তুলনায় প্রাপ্তি কম হওয়ায় সীমিত আকারে লোডশেডিং হয়েছে।

নসরুল হামিদ বলেন, এছাড়া রক্ষণাবেক্ষণ কাজে প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য লোডশেডিং করা হয়। সরকার শহর ও গ্রাম নির্বিশেষে সমতার ভিত্তিতে বিদ্যুৎ সরবরাহে সচেষ্ট রয়েছে। সেচ মৌসুমে গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহে অগ্রাধিকার প্রদান করা হয়েছে।

তিনি জানান, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ এবং বকেয়া পাওনা থাকলে নিয়মানুযায়ী বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। ভূতুড়ে বিলের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে যাচাইপূর্বক প্রতিকার প্রদান করা হয় এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।


বাংলাদেশ গ্লোবাল/এফআর

সবশেষ খবর এবং আপডেট জানার জন্য চোখ রাখুন বাংলাদেশ গ্লোবাল ডট কম-এ। ব্রেকিং নিউজ এবং দিনের আলোচিত সংবাদ জানতে লগ ইন করুন: www.bangladeshglobal.com

সর্বশেষ খবর

আরো পড়ুন