ঢাকা      বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২
শিরোনাম

পাকিস্তানের বিপক্ষে সহজ জয় বাংলাদেশের

IMG
11 March 2026, 10:36 PM

স্পোর্টস ডেস্ক, বাংলাদেশ গ্লোবাল: পাকিস্তানের বিপক্ষে সহজ জয় দিয়ে ওয়ানডে সিরিজ শুরু করলো বাংলাদেশ। মিরপুরে আগে ব্যাট করতে নেমে ৩০.৪ ওভারে ১১৪ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। জবাবে মাত্র ১৫.১ ওভারে ৮ উইকেট হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় টাইগাররা।

শের-ই বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে স্বল্প রান তাড়ায় নেমে ঝড়ো শুরু করে বাংলাদেশ। একপাশে দ্রুত গতিতে রান তুলতে থাকেন তানজিদ হাসান তামিম। তবে অপর প্রান্তে কিছুটা দেখেশুনে খেলার চেষ্টায় ছিলেন সাইফ হাসান। সেই চেষ্টায় বেশি সময় উইকেটে স্থায়ী হতে পারেননি তিনি। ১০ বলে ৪ রান করে দলীয় ২৭ রানে ফেরেন সাইফ।

এরপর নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে জুটি গড়েন তামিম। এই জুটি থেকে আসে ৮২ রান। এতেই অবশ্য বাংলাদেশের জয়ের ভিতটা গড়ে যায়। শান্ত ৩৩ বলে ২৭ রান করে ফিরলে ভাঙে সেই জুটি।

পরে লিটন দাসকে নিয়ে জয় নিশ্চিত করেই মাঠ ছাড়েন তামিম। ম্যাচের একমাত্র ব্যাটার হিসেবে তুলে নেন হাফ সেঞ্চুরি। ওয়ানডেতেও কিছুটা টি-টোয়েন্টি মেজাজে ব্যাট করেছেন তিনি। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৪২ বলে ৬৭ রানে।

এর আগে, টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা মন্দ ছিল না পাকিস্তানের। অভিষিক্ত দুই ওপেনার শাহিবজাদা ফারহান আর মাজ সাদাকাত মিলে কাটিয়ে দেন পাওয়ার প্লে। এরপর নিজেদের গুছিয়ে নেয় বাংলাদেশ। পাওয়ার প্লের শেষ বলে প্রথম আঘাত হানেন নাহিদ রানা। ফেরান শাহিবজাদাকে। ৩৮ বলে ২৭ রান করে আফিফ হোসেনকে ক্যাচ দেন তিনি। ৪৭ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় সফরকারীরা। নাহিদের বলে লিটন দাসকে ক্যাচ দেন শামিল হোসেন। আরেক ওপেনার মাজ সাদাকাতকেও ফেরান নাহিদ।

৬৪ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় পাকিস্তান। মোহাম্মদ রিজওয়ান শিকার হন নাহিদেরই। পঞ্চম ব্যাটার হিসেবে সালমান আগাকে যখন সাজঘরে ফেরান নাহিদ, পাকিস্তানের স্কোর বোর্ডে তখন ৬৯ রান।

নাহিদের ফাইফারের পর দৃশ্যপটে আসেন মিরাজ। প্রথমে ফেরান আবদুল সামাদকে। রানের খাতা খোলার আগেই লিটনকে ক্যাচ দেন সামাদ। হুসেন তালাতকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন মিরাজ। শাহিন শাহ আফ্রিদিকেও লেগবিফোর করেন তিনি।

৮১ রানে ৮ উইকেট হারানো পাকিস্তান শিবিরে পরের আঘাত হানেন তাসকিন আহমেদ। ৮২ রানে মোহাম্মদ ওয়াসিম বিদায় নিলে পাকিস্তানের শঙ্কা জাগে ১০০ রানের আগে গুটিয়ে যাওয়ার। শেষ উইকেট জুটিতে ফাহিম আশরাফ ও আবরার আহমেদ মিলে দলগত সংগ্রহ শতরানের ঘর পার করেন।

শেষ উইকেট জুটিতে ৩২ রান যোগ করেন দু'জন। শেষ ব্যাটার হিসেবে মুস্তাফিজুর রহমানের শিকার হওয়া ফাহিম খেলেন দলীয় সর্বোচ্চ ৩৭ রানের ইনিংস। বাংলাদেশের পক্ষে ৭ ওভারে ২৪ রানে ৫ উইকেট নেন নাহিদ। ১০ ওভারে ২৯ রানে তিন উইকেট পান মিরাজ।

ব্রেকিং নিউজ, এই মুহূর্তের খবর, প্রতিদিনের সর্বশেষ খবর, লেটেস্ট নিউজ এবং গুরুত্বপূর্ণ আপডেট নিউজ পেতে ভিজিট করুন www.bangladeshglobal.com

সর্বশেষ খবর

আরো পড়ুন