ব্রাহ্মণবাড়িয়া, বাংলাদেশ গ্লোবাল: কালবৈশাখী ও শিলাবৃষ্টির ৪০ ঘণ্টা পরও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কয়েকটি উপজেলার অর্ধশতাধিক গ্রাম এখনো বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছে। গত বুধবার রাতের ঝড়ে গাছপালা ও বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
গত বুধবার রাত আটটার দিকে আখাউড়া, সরাইল, নাসিরনগর, নবীনগর ও বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় আকস্মিক কালবৈশাখী ও শিলাবৃষ্টি হয়। এতে কয়েকশ গাছপালা উপড়ে পড়ে ও ৪০-৫০টি কাঁচা বসতঘর ভেঙে যায়। সেই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থাও।
এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে আখাউড়া উপজেলায়। সেখানে অন্তত ৫০টি জায়গায় গাছের ডালপালা বিদ্যুতের তারের ওপর পড়ে তা ছিঁড়ে যায়। এছাড়া ৩৩ কেভি লাইনের তার ছিঁড়ে পড়ায় পুরো এলাকার বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের রানীখার, ঘোলখার, আদিলপুর, নুরপুর ও রুটি গ্রামে আধা ঘণ্টার ঝড়ে অন্তত ১৫টি কাঁচা ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়ায় পুরো ইউনিয়ন অন্ধকারে ডুবে আছে।
আখাউড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় অন্তত ১৭টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে গেছে এবং বহু মিটার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ঝড়ের পরপরই বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত লাইন মেরামত ও গাছ অপসারণের কাজ শুরু করলেও পরে বৃষ্টির কারণে তা ব্যাহত হয়। বর্তমানে স্থানীয় ও অতিরিক্ত জনবল নিয়ে মেরামত কাজ চলছে।
আখাউড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপমহাব্যবস্থাপক মো. জহির আব্বাস খান সাংবাদিকদের বলেন, ‘ঝড়ের পর গাছ সরাতে ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হয়েছে। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকেও (ইউএনও) জানানো হয়েছে। বুধবার রাত থেকেই অফিসের জনবল এবং বাইরের শ্রমিক নিয়ে লাইন সচল করার কাজ চলছে। তবে অনেক জায়গায় তার ছিঁড়ে যাওয়ায় মেরামত করে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।’
ব্রেকিং নিউজ, এই মুহূর্তের খবর, প্রতিদিনের সর্বশেষ খবর, লেটেস্ট নিউজ এবং গুরুত্বপূর্ণ আপডেট নিউজ পেতে ভিজিট করুন www.bangladeshglobal.com